ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, সিএমজি বাংলা: সিল্ক রোডের সময়কাল থেকেই বাংলাদেশ এবং চীনের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গভীর সংযোগ বিদ্যমান। এই ঐতিহাসিক অংশীদারত্ব পুনরুদ্ধার করে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক।
সোমবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘দ্বিতীয় চীন-বাংলাদেশ গোলটেবিল বৈঠক’-এ স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন ওসমানী সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (ওসিপিএএসএস) চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে চীন ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক একটি সুসংহত ও বহুমাত্রিক অংশীদারত্বে উন্নীত হয়েছে। বর্তমান চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক যৌথ ভবিষ্যৎ ও আঞ্চলিক সংহতির এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।‘
গেল চার দশকে চীন যেভাবে ৮০০ মিলিয়ন মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করেছে, তা কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয় বরং দক্ষ শাসনব্যবস্থার এক অনন্য দৃষ্টান্ত বলেও মনে করেন তিনি।
মাহফুজুর রহমান আরো বলেন, ‘বাংলাদেশও এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটাতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য চীনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি কার্যকর ও সুসংগঠিত শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন।‘
তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা



















