ঐতিহ্য সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গুরুত্ব ২০২৬ বেইজিং সাংস্কৃতিক ফোরামে - Mati News
Monday, September 28

ঐতিহ্য সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গুরুত্ব ২০২৬ বেইজিং সাংস্কৃতিক ফোরামে

জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ঐতিহাসিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি, আঞ্চলিক সংঘাতে পুরাকীর্তি ধ্বংস এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনের অবৈধ পাচারের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ বেইজিং সাংস্কৃতিক ফোরাম। ফোরামের ‘সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা’ শীর্ষক একটি সমান্তরাল অধিবেশনে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা করেন ১০০ জনেরও বেশি চীনা ও বিদেশি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

গত শতাব্দীতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষার ধারণার বিবর্তন তুলে ধরেন ইউনেস্কোর সাবেক উপ-মহাপরিচালক ছু সিং। এথেন্স সনদ থেকে শুরু করে ঐতিহ্যের প্রামাণিকতা নিয়ে ‘নারা’ দলিল পর্যন্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধীরে ধীরে পুরো মানবজাতির অভিন্ন সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, সশস্ত্র সংঘাত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় সম্পদের অসম বণ্টনের মতো বিষয়গুলো বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক কনভেনশনের ভিত্তিতে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

চাইনিজ একাডেমি অব কালচারাল হেরিটেজের সাবেক উপ-সভাপতি চান ছাং ফা বলেন, চীন একসময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষার প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী দেশ ছিল। এখন দেশটি সেই অভিজ্ঞতা বিশ্বের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তিনি আরও জানান, কম্বোডিয়ার আংকর ওয়াট এবং উজবেকিস্তানের প্রাচীন শহর খিভার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে চীন। পাশাপাশি চীন ‘এশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা কার্যক্রম’ চালু করেছে এবং বিপন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে।

সূত্র: সিএমজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *