সেপ্টেম্বর ২৭: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা সম্মান, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সমতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দুই দেশের উচিত পরস্পরকে বোঝার ভিত্তিতে মতপার্থক্য বজায় রেখে অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে বের করা এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া। ২৬ সেপ্টেম্বর চায়না মিডিয়া গ্রুপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্র-চীন এভিয়েশন হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জেফরি গ্রিন।
জেফরি গ্রিন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের আন্তরিকভাবে একে অপরকে সহযোগিতা করা উচিত। দুই দেশেরই সমগ্র মানবজাতির প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দুই দেশের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া উচিত।’
তিনি বলেন, ‘চীন-মার্কিন সম্পর্ককে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা আমাকে উৎসাহিত করে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা ভিন্ন। আমরা একে অপরের পার্থক্য স্বীকার করি। যতক্ষণ আমরা হাতে হাত রেখে, একই লক্ষ্যে কাজ করব, ততক্ষণ অসীম সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজিত স্বাগত ভোজসভায় সি চিন পিং বিশেষভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতিহাস স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ফ্লাইং টাইগার্স’ ছিল এই অভিন্ন ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
জেফরি গ্রিন বলেন, সি চিন পিং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের এই ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘ফ্লাইং টাইগার্স’-এর চেতনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়বে।
সূত্র: সিএমজি




















