স্থানীয় সময় ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফর করেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। তার এ সফর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অগ্রগতির সূচনা করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছয় মাসের মধ্যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই পারস্পরিক সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করেছে। তারা আরও বলছেন, চীন-মার্কিন সম্পর্কের ধারাবাহিক ও স্থিতিশীল উন্নয়ন শুধু দুই দেশের জনগণের জন্যই লাভজনক নয়, বরং এর সঙ্গে বিশ্বের ভবিষ্যৎও গভীরভাবে জড়িত।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই নতুন উচ্চপর্যায়ের সংলাপ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। দুই রাষ্ট্রপ্রধান চীন-মার্কিন গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক এবং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে গভীর মতবিনিময় করেন এবং আট দফা ঐকমত্যে পৌঁছান।
এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অর্জন হলো, ‘সম্মান, ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক’ গড়ে তোলার বিষয়ে দুই পক্ষের ঐকমত্য।
চায়না ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সহযোগী গবেষক সু সিও হুই বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফর চীন-মার্কিন সম্পর্ককে নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, দুই রাষ্ট্রপ্রধান গত বছর থেকেই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও মতবিনিময় করে আসছেন। ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের প্রথম পারস্পরিক সফর বিনিময়। এটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি উভয় পক্ষের উচ্চ গুরুত্বকে তুলে ধরেছে এবং চীন-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের জন্য নতুন ভিত্তি তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফর চীন-মার্কিন সম্পর্কের নতুন অবস্থানের তাৎপর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এই নতুন অবস্থানে সম্মান, ন্যায্যতা ও সমতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বড় দেশগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সঠিক পথ অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি প্রতিফলিত হয়েছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বশান্তিতেও অবদান রাখতেও সক্ষম।
সূত্র: সিএমজি


















