চীনের গণমুক্তি ফৌজের (পিএলএ) ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। বুধবার অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রায় ৩০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে সিনিয়র কর্নেল তু সিনশেং তার বক্তব্যে বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পিএলএ নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলেছে। এটি চীনের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের জনগণের প্রতি প্রতিবেশিসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ নীতিতে বিশ্বাসী এবং নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশ যৌথ সম্ভাবনার ভবিষ্যত গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিরক্ষাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চীন আগ্রহী বলে তিনি জানান।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম তার বক্তব্যে পিএলএ’র আধুনিকায়ন এবং চীন ও বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে চীনের সমর্থন ও সহায়তার জন্য তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা চীনা সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনে দু’দেশের সম্পর্ক আরও উচ্চমাত্রায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সূত্র: সিএমজি বাংলা





















