
আজ (শনিবার), সপ্তম মানববাহী মহাকাশযান একাডেমিক সম্মেলন, বেইজিংয়ে উদ্বোধন হয়। মানববাহী মহাকাশযানসংশ্লিষ্ট খাতের ৮০০ জনেরও বেশি বিশেষজ্ঞ, দু’দিনব্যাপী সম্মেলনে, ডিজিটাল বুদ্ধিমান মানববাহী মহাকাশযান শিল্পের উচ্চমানের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা করছেন।
সম্মেলনে মহাকাশ স্টেশন পরিচালনা ও প্রয়োগ, চন্দ্র বিজ্ঞান ও অন্বেষণ, এবং মহাকাশ ক্ষেত্রের ডিজিটালাইজেশনের মতো বিষয়ে, একাডেমিশিয়ান, চীনের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞগণ, ও মহাকাশচারীদের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমানে, চীনের মহাকাশ স্টেশন কক্ষপথে স্থিতিশীলভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং ভালোভাবে কাজ করছে, যা নিয়মিত কার্যক্রম ও উন্নত মানের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। কক্ষপথে ২০০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক ও ফলিত প্রকল্প স্থাপন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যা মহাকাশ জীববিজ্ঞান, মহাকাশ পদার্থবিজ্ঞান, মাইক্রোগ্র্যাভিটি মৌলিক পদার্থবিদ্যা, মাইক্রোগ্র্যাভিটি তরল ও দহন বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে। অদূর ভবিষ্যতে চীনা মহাকাশ স্টেশনে প্রথম বিদেশী মহাকাশচারী আসবেন এবং স্বল্প খরচের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা যুক্ত হবে।
পাশাপাশি, চীনের চন্দ্র অন্বেষণ প্রকল্পের একীকরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং চন্দ্রে অবতরণ পর্বের বিভিন্ন দিকের গবেষণা স্থিতিশীলভাবে এগিয়ে চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চীনা মানুষ ২০৩০ সালের আগে প্রথমবারের মতো চন্দ্রে অবতরণ সম্পূর্ণ করবেন, চন্দ্র বৈজ্ঞানিক অভিযান এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চালাবেন, মানববাহী পৃথিবী-চাঁদ প্রদক্ষিণ, চন্দ্রপৃষ্ঠে স্বল্পমেয়াদী অবস্থান এবং মানুষ ও যন্ত্রের যৌথ অভিযানের মতো মূল প্রযুক্তিগুলোতে দক্ষতা অর্জন করবেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে লংমার্চ-১০ ক্যারিয়ার রকেট সিস্টেমের নিম্ন-উচ্চতায় প্রদর্শন ও যাচাইকরণ এবং মেংচৌ মহাকাশযান সিস্টেমের সর্বোচ্চ ডাইনামিক প্রেসার এস্কেপ ফ্লাইট টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়, যা পরবর্তীকালের পুনঃব্যবহারযোগ্য মানববাহী মহাকাশ পরিবহনব্যবস্থা এবং মানববাহী চন্দ্রাভিযানের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছে।
সূত্র: সিএমজি

















