আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, দাবি দুদক সচিবের - Mati News
Thursday, September 10

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, দাবি দুদক সচিবের

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নয় বলে স্পষ্ট করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অভিযোগটি যাচাই-বাছাইয়ের পর ‘আমলযোগ্য’ বিবেচিত হওয়ায় আইন ও বিধি মেনেই অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুদক সচিব আরও বলেন, কমিশন নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করে। কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা ভুক্তভোগী চাইলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন, তবে দুদকের এই অনুসন্ধান প্রক্রিয়া আইনগত কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। অনুসন্ধান শুরুর দিন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি সেটিকে ‘স্লিপ অব টাং’ বা অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেছিলেন যে, তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে।

অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে সচিব জানান, কমিশনে আসা অভিযোগ প্রথমে যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে যায়। কমিটির সুপারিশ ও প্রতিবেদন পর্যালোচনার পরই কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। এ লক্ষ্যে উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানের আওতায় থাকা অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

তদন্তের অংশ হিসেবে পরদিন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে চার ধরনের নথিপত্র তলব করে দুদক। এর মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হওয়া সব নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নথিপত্র এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকমূলে বদলি সংক্রান্ত নথিপত্রও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি জানান, অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন নথি চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর কয়েক ঘণ্টা আগে এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেই কমিশন পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *