সাইবার স্পেসে একটি যৌথ ভবিষ্যৎসম্পন্ন সম্প্রদায় গড়ে তুলতে চীন সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়াখুন। চলতি বছরের ‘সাইবার নিরাপত্তা সপ্তাহ’ শুরুর প্রাক্কালে সোমবার বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
পূর্ব চীনের শানতোং প্রদেশের রাজধানী চিনানে সোমবার চলতি বছরের ‘চীন সাইবার নিরাপত্তা সপ্তাহ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এর মধ্য দিয়ে ১৪ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে এক সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সূচনা হলো।
সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র কুও চিয়াখুন বলেন, ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্ক বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষকে সংযুক্ত করেছে। একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, উন্মুক্ত ও সহযোগিতাপূর্ণ সাইবারস্পেস বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২০১৪ সাল থেকে চীন নিয়মিতভাবে সাইবার নিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করে আসছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো সবার মধ্যে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা, একটি সুস্থ ও সভ্য নেটওয়ার্ক পরিবেশ গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক ইন্টারনেট গভর্নেন্সে চীনের কার্যকর ভূমিকা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর ভূমিকা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নেতৃত্বে উদীয়মান প্রযুক্তিগুলো সাইবারস্পেসের রূপরেখাকে সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তার এক দৃঢ় প্রবক্তা হিসেবে চীন আনুষ্ঠানিকভাবে এআই-কে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা আইনি কাঠামোর আওতাভুক্ত করেছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম, নির্দেশিকা ও নৈতিক মানদণ্ড ক্রমাগত উন্নত করে চলেছে।
সূত্র: সিএমজি





















