দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত দেশ হিসেবে জাপানকে সামরিকতন্ত্র নির্মূল, যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা ধ্বংস এবং পুনরায় অস্ত্রসজ্জা নিষিদ্ধ করার মতো দায়িত্ব অবশ্যই পালন করতে হবে। আজ (শনিবার) বিকেলে সামরিক বিষয়ক সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় এমনটা বলেন চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ছেন সি।
ছেন সি বলেন, জাপানের ক্ষমতাসীন কর্তৃপক্ষ তথাকথিত ‘প্রতিবেশী অঞ্চলের নিরাপত্তা হুমকি’র অজুহাতে সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুততর করছে। এমনকি তারা জাপানের ‘পারমাণবিক অস্ত্র না রাখা, তৈরি না করা এবং দেশে প্রবেশ করতে না দেওয়ার’ তিন নীতি অতিক্রম করার চেষ্টা করছে। দেশটি ধাপে ধাপে পারমাণবিক অস্ত্রসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ছেন সি আরও বলেন, জাপান তার নিরাপত্তানীতিকে ক্রমেই আক্রমণাত্মক, সম্প্রসারণবাদী ও বিপজ্জনক করে তুলছে। তার মতে, জাপানের ‘নতুন ধরনের সামরিকতন্ত্র’ যুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানো, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টির একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হয়ে উঠছে।
এ বছর টোকিও ট্রায়াল শুরুর ৮০ বছর পূর্ণ হচ্ছে জানিয়ে ছেন সি বলেন, ইতিহাসের বিচার এখনও শেষ হয়নি। জাপানের উচিত যুদ্ধাপরাধের দায় গভীরভাবে পর্যালোচনা করা, সামরিকতন্ত্রের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিচ্ছেদ ঘটানো এবং সংবিধান সংশোধন, সামরিক শক্তি সম্প্রসারণ ও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের লক্ষ্যে বিপজ্জনক পদক্ষেপ নেওয়া বন্ধ করা।
তিনি সতর্ক করে বলেন, অন্যথায় জাপান আবারও অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করবে এবং এর ফলে দেশটির ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সূত্র: সিএমজি
















