চীনের শীর্ষ আইনপ্রণেতা চাও ল্যচির সঙ্গে পৃথক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বতসোয়ানার প্রেসিডেন্ট দুমা গিডেওন বোকো এবং টোগোর কাউন্সিল অব মিনিস্টার্সের প্রেসিডেন্ট ফাউরি এসোজিমনা গাসিংবে। মঙ্গলবার বেইজিংয়ে এ সব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বতসোয়ানার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে চীনের জাতীয় গণ-কংগ্রেসের (এনপিসি) স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান চাও বলেন, ‘আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে বতসোয়ানা চীনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নে বতসোয়ানার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন।’
চাও আরও বলেন, ‘বতসোয়ানার পার্লামেন্টের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে প্রস্তুত এনপিসি। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের উন্নয়ন নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় বাস্তব সহযোগিতার জন্য আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করবে সংস্থাটি।‘
বৈঠকে বোকো বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বতসোয়ানা। দেশটি এক-চীন নীতি দৃঢ়ভাবে মেনে চলে।‘ দুই দেশের আইনসভা পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াবে এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মীদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
টোগোর কাউন্সিল অব মিনিস্টার্সের প্রেসিডেন্ট ফাউরির সঙ্গে বৈঠকে চাও বলেন, ‘দুই দেশের নেতাদের মধ্যে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে টোগোর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন। রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা গভীরে নেওয়া, পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্য রয়েছে দুই দেশের।‘
চাও আরও বলেন, ‘টোগোর পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় জোরদার করতে প্রস্তুত এনপিসি। আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও কাজ করবে সংস্থাটি।‘
ফাউরি বলেন, ‘টোগো চীনের সঙ্গে বাস্তব সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। পাশাপাশি দুই দেশের আইনসভার মধ্যে সংলাপ ও যোগাযোগ গভীর করা এবং বহুপক্ষীয় ক্ষেত্রে সমন্বয় বাড়ানোর প্রত্যাশা করে দেশটি।‘
সূত্র: সিএমজি





















