তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও যোগাযোগের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে টেকসই বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাইয়ের (অ্যাবকা) সহসভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম।
সোমবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘নি হাও চায়না’ রাইটিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘টেকসই বন্ধুত্ব শুধু অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার মাধ্যমে গড়ে ওঠে না। এটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমেও গড়ে তুলতে হয়।’
তিনি বলেন, এ কারণেই ‘নি হাও চায়না’ রাইটিং অ্যাওয়ার্ডের মতো উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেখালেখির মাধ্যমে তরুণরা শুধু নিজেদের চিন্তা ও সৃজনশীলতা প্রকাশ করছেন না, একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও চীনের মানুষের মধ্যে বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বের সেতু তৈরি করছেন।
চীন নিয়ে লেখা এবং চীনা ভাষা শেখার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তরুণরা দুই সমৃদ্ধ সভ্যতার মধ্যে বৃহত্তর সংলাপে যুক্ত হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের চীনা ভাষা শেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ড. মাইনুল ইসলাম বলেন, বেইজিংয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর অবস্থানকালে তিনি চীনা ভাষা শেখার সুযোগ পেয়েছেন। ভাষা শেখার মাধ্যমে তিনি চীনের সংস্কৃতিকে কাছ থেকে জানার পাশাপাশি অনেকের সঙ্গে বন্ধুত্বও গড়ে তুলেছেন।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ে দুই দেশের সহযোগিতা শিক্ষা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, গবেষণা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিজয়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ পুরস্কারকে যাত্রার শেষ হিসেবে না দেখে লেখালেখি ও নতুন কিছু আবিষ্কারের দীর্ঘ যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখতে হবে।
সূত্র: সিএমজি





















