সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় দুই দেশের সম্পর্ক দ্রুত এগিয়ে চলেছে। চীন-আজারবাইজান সম্পর্ক অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। গত বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বায়রামভের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
ওয়াং ই বলেন, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীন আজারবাইজানের উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টায় সমর্থন অব্যাহত রাখবে। এশিয়ায় পারস্পরিক যোগাযোগ ও আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপবিষয়ক সম্মেলন—সিআইসিএ’র সভাপতিত্বকালে আজারবাইজানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।
একই সঙ্গে সিআইসিএ কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে আরও বড় ভূমিকা পালনে আজারবাইজানকে সমর্থনের কথা জানান চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, আগামী বছর চীন ও আজারবাইজানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৩৫তম বার্ষিকী। এ উপলক্ষকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নে আজারবাইজানের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন।
পাশাপাশি, দুই দেশের আধুনিকায়নের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করা এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করতে বেইজিং আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
বায়রামভ বলেন, আজারবাইজান ও চীন আন্তরিক বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। সব পর্যায়ে যোগাযোগ ও আদান-প্রদান ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হচ্ছে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে।
তিনি জানান, আজারবাইজান দৃঢ়ভাবে এক-চীন নীতি অনুসরণ করে। রাষ্ট্রপ্রধানদের নির্দেশনা অনুযায়ী, চীনের সঙ্গে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী বাকু।
জ্বালানি, পরিবহন, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি যৌথভাবে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ ও মধ্য করিডর নির্মাণে প্রচেষ্টা জোরদার করতে আজারবাইজান ইচ্ছুক বলেও জানান বায়রামভ।
সূত্র: সিএমজি













