ব্যস্ত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাসসহ নানা কারণে অনেকেই দীর্ঘদিন অনিদ্রায় ভোগেন। ঘুমের এ সমস্যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যার মতো পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। অনিদ্রার সঙ্গে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, স্থূলতা ও হৃদরোগের সম্পর্ক রয়েছে। তবে অনিদ্রা থাকলেই যে কারও স্ট্রোক হবে, এমন নয়। স্ট্রোকের ঝুঁকি নির্ভর করে বয়স, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয়ের ওপরও।
কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন: প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ঘুমের সময়ের সঙ্গে ঘুমের মানও গুরুত্বপূর্ণ। বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া, ঘুমাতে দীর্ঘ সময় লাগা; কিংবা খুব সকালে ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যা নিয়মিত হলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।
ঝুঁকি কমাতে করণীয়
· নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা
· শোয়ার আগে মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমানো, সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা
· নিয়মিত শরীরচর্চা ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে
· উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখাও জরুরি
দীর্ঘদিন অনিদ্রায় ভুগলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ঘুমের ওষুধ নিজে থেকে খাওয়া ঠিক নয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


















