ইংল্যান্ড সফরে থাকা পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার ও স্টাফরা এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। গত মঙ্গলবার পোর্টসমাউথের ম্যারিয়ট হোটেলের বাইরে একদল বিক্ষোভকারী তাদের আশ্রয়প্রার্থী মনে করে ঘিরে ধরেন। ওই হোটেলে আশ্রয়প্রার্থীরা অবস্থান করছেন—এমন গুজবের ভিত্তিতে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিলেন। প্রায় ৪০ জন পুরুষ হোটেলে প্রবেশের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, কারণ তাদের দেখে বিক্ষোভকারীদের সন্দেহ হয় যে তারা আশ্রয়প্রার্থী।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন ইংল্যান্ডের রিফর্ম পার্টির কাউন্সিলর জর্জ ম্যাডউইক। তিনি বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনারা ভুল করছেন। এটা একটি ক্রিকেট দল।” ম্যাডউইকের হস্তক্ষেপে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যান। ম্যাডউইক পরবর্তীতে জানান, স্থানীয়রা আগে থেকেই সতর্ক ছিলেন কারণ একই কোম্পানির কোচে ৪০ জন বিদেশি আসার খবর ছিল। এর আগে গত রোববার ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় করে আশ্রয়প্রার্থীরা পোর্টসমাউথে পৌঁছালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) পাকিস্তান ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং দলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরায় পর্যালোচনা করছে। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল তাদের ইংল্যান্ড সফরের অংশ হিসেবে আরুন্ডেলে একটি চার দিনের ম্যাচ খেলেছিল, যেখানে তারা ইংল্যান্ডের কাছে ১০ রানে পরাজিত হয়। তবে এরপরের যুব ওয়ানডে ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ১৭৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান। বর্তমানে সিরিজটিতে আরও তিনটি যুব ওয়ানডে ম্যাচ বাকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, মাঠের বাইরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পাশাপাশি পাকিস্তান জাতীয় দলের সময়টাও ভালো যাচ্ছে না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তারা এরই মধ্যে দুটি ম্যাচ হেরেছে এবং এজবাস্টনে সিরিজের শেষ টেস্টেও চাপের মুখে রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইংল্যান্ডে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সময়টা আসলেই ভালো যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর সঙ্গে মাঠের বাইরে নানা বিতর্ক তো আছেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবার সামনে এল ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিব্রতকর এক পরিস্থিতিতে পড়ার খবর। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে জানা যায়, ওই ব্যক্তিরা পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খেলোয়াড় ও স্টাফ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ম্যাডউইক গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমি দলের কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সিপিএলে নেমেই মিরাজের স্পিন–ফাঁস, তাহির বললেন, ‘বিশ্বমানের বোলার’।




















