ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের - Mati News
Sunday, September 13

ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর না করায় দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনেছে তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। শনিবার পিটিআইয়ের মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা সুপ্রিম কোর্টে এই পিটিশন দাখিল করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইমরান খানের বোন উজমা খান ও আইনজীবী উজাইর ভান্ডারি। গত মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালত ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এর আগে শুক্রবার ভোরে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় ইমরান খানকে সরকারি হাসপাতাল পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে শারীরিকভাবে সুস্থ ঘোষণা করলে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনাকে সুপ্রিম কোর্টের আদেশের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে পিটিআই।

সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। তিনি দাবি করেন, শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে ও যাতায়াতের পথে পিটিআই কর্মীদের ভিড় থাকায় বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তাই শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। তবে তারার দাবি করেন, শিফা হাসপাতালের চিকিৎসকরাও পিআইএমএসে উপস্থিত ছিলেন।

পিটিআইয়ের দায়ের করা পিটিশনে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্যকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান এবং আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। আবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে। এছাড়া ইমরান খানকে দ্রুত শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করে চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে একজন আদালত কর্মকর্তা বা স্থানীয় কমিশন নিয়োগের আবেদনও করা হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সরকারের একটি পুনর্বিবেচনার আবেদনও খারিজ করে দিয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *