নেপাল পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৫ বিলিয়ন ডলার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে - Mati News
Friday, October 30

নেপাল পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৫ বিলিয়ন ডলার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে

চলতি সপ্তাহে হিমালয় অঞ্চলে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় নেপালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে দেশটির পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। শনিবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি জানান, এটি প্রাথমিক হিসাব এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। এই সম্ভাব্য ব্যয় নেপালের মোট অর্থনীতির প্রায় এক-দশমাংশের সমান।

গত বুধবার (২৬ আগস্ট) হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসের ফলে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও কাদা নদীর স্রোতের সঙ্গে মিশে জনপদে আঘাত হানে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৬০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং এখনো ২ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। পানির প্রবল তোড়ে সীমান্তবর্তী এলাকার বহু শহর, সেতু ও সড়ক বিধ্বস্ত হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে জানান, ২০১৫ সালের ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের তুলনায় এবারের পুনর্গঠনে তুলনামূলক কম অর্থ প্রয়োজন হতে পারে। উল্লেখ্য, ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষ নিহত এবং ৫ লাখের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছিল, যার পুনর্গঠনে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল। তবে এবারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কেন কম ধরা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

নেপালের অর্থনীতি মূলত পর্যটন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং জলবিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। বন্যায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশেরও বেশি জোগান দিত। ফলে অবকাঠামো পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা দেশটির জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শনিবার (২৯ আগস্ট) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ওয়াগলে বলেন, ‘প্রাথমিক হিসাবে পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপরও বুধবারের বন্যা নেপালের অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বন্যায় এমন কিছু জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো দেশটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশের বেশি জোগান দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *