ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধ এবং ব্যক্তিস্বার্থ সুরক্ষায় সোমবার একটি নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে চীনের সর্বোচ্চ গণ আদালত (এসপিসি)। এটি এআই-সম্পর্কিত মামলার বিচারকাজে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের জারি করা প্রথম বিচারিক বিধিমালা।
২৪ অনুচ্ছেদের এই নথিতে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত বিষয়গুলো, যেমন—এআই ফেস-সোয়াপিং (মুখমণ্ডল পরিবর্তন), ভয়েস ক্লোনিং (কণ্ঠস্বর নকল করা) এবং ডক্সিং (ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস)-এর মতো বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এতে যারা এআই ব্যবহার করে ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘন করবে, তাদের শনাক্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া কারও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে সিন্থেটিক স্পিচ বা কৃত্রিম কণ্ঠ তৈরি করা কণ্ঠস্বরের অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইভাবে, অনুমতি ছাড়াই এআই-এর মাধ্যমে কারও নাম বা অবয়ব ব্যবহার করাকেও অধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
নাম, কণ্ঠস্বর ও সুনামের অধিকার লঙ্ঘনের পাশাপাশি ডক্সিং বা অনলাইনে অন্যদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে এই নির্দেশিকায়। এতে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এআই ব্যবহার করে কারও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও তা ফাঁস করা গোপনীয়তার অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর জন্য দায়ীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এর পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা, মেধাস্বত্ব এবং স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চালনার ক্ষেত্রেও এআই-এর ব্যবহার নিয়ে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: সিএমজি




















