২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশ জীবাশ্মবিহীন জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চীন। একই সঙ্গে ২৮০ কোটি কিলোওয়াটের বেশি নতুন জ্বালানি ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং ১১ কোটিরও বেশি বৈদ্যুতিক যানবাহনে সক্ষম জাতীয় চার্জিং নেটওয়ার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশন- এনডিআরসি এবং জাতীয় জ্বালানি প্রশাসন যৌথভাবে প্রকাশিত নতুন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নির্মাণবিষয়ক ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিকল্পনার লক্ষ্য- একটি সবুজ, স্বল্প-কার্বন ও উচ্চ সহনশীল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ জলবিদ্যুতের স্থাপিত সক্ষমতা প্রায় ৪১ কোটি কিলোওয়াট, পারমাণবিক বিদ্যুৎ ১১ কোটি কিলোওয়াট এবং বায়োমাস, সৌর তাপ, ভূ-তাপীয় ও সমুদ্রভিত্তিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্মিলিত সক্ষমতা সাড়ে ৬ কোটি কিলোওয়াটে উন্নীত হবে।
এ ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পাম্পড স্টোরেজ জলবিদ্যুৎ ১৬ কোটি কিলোওয়াট এবং নতুন জ্বালানি সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩০ কোটি কিলোওয়াটে উন্নীত করা হবে। দেশে ৪ কোটির বেশি চার্জিং স্টেশন, যার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন চার্জিং সুবিধা থাকবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ চীনের মোট চূড়ান্ত জ্বালানি ব্যবহারের ৩৫ শতাংশই বিদ্যুৎনির্ভর হবে, যা চীনের কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
সূত্র: সিএমজি















