তামান্না জেনিফার
বিশ্বজুড়ে সংরক্ষণবাদ ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে চীনের প্রস্তাবিত গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই) পাঁচ বছরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক উন্নয়ন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। অংশীদারত্বমূলক ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক সমর্থন অর্জন করেছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাস্তব উন্নয়নমূলক ফলাফল বয়ে এনেছে।
চীনের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৩০টিরও বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা জিডিআইকে সমর্থন জানিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সহযোগিতা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় ১ হাজার ৮০০টি জীবন-জীবিকাভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, ২ লাখ মানুষকে বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ২ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে।
চীন জানিয়েছে, জিডিআই জনকেন্দ্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক, উদ্ভাবননির্ভর এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের নীতিকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে এটি ফলাফলভিত্তিক সহযোগিতাকে উৎসাহিত করে এবং সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, সমীক্ষাভুক্ত ৩৬টি দেশের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষন করে। একই সঙ্গে জরিপে অন্তর্ভুক্ত ১৭টি মধ্যম আয়ের দেশের অনেক মানুষ চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করেন এবং তাদের মতে, বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চীনের অবদান উল্লেখযোগ্য।
চীন বলছে, উদ্ভাবন ও উচ্চমাত্রার উন্মুক্ততার মাধ্যমে উচ্চমানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে তারা বৈশ্বিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা




















