চলতি বছর গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক পর্যটক চীনকে ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। উষ্ণ আতিথেয়তা, সহজ ভ্রমণব্যবস্থা এবং স্বল্প পরিচিত গন্তব্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘুরে দেখার সুযোগ বিদেশি পর্যটকদের কাছে চীনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
‘অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যভিত্তিক ভ্রমণ’ থেকে শুরু করে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্দেশিত ভ্রমণ’—এ ধরনের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পর্যটন কর্মসূচি চালু করায় চীন দ্রুতই স্বল্প সময়ে বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা খুঁজে বেড়ানো বিদেশি ভ্রমণকারীদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।
উন্নত ভিসামুক্ত নীতি, পুনরায় চালু হওয়া আন্তর্জাতিক বিমান রুট এবং উন্নত পর্যটনসেবার ফলে ‘চায়না ট্রাভেল’-এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ফলে বিদেশি পর্যটকেরা শুধু দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার পরিবর্তে চীনের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জনে আগ্রহী হচ্ছেন।
অনলাইন ভ্রমণ প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি গ্রীষ্মে চীনে আগত পর্যটকদের শীর্ষ ২০টি উৎস দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ৩০ শতাংশই ইউরোপের। ইউরোপ থেকে ভ্রমণ বুকিং গত বছরের তুলনায় ২৭৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দর্শনীয় স্থানগুলোর টিকিটের অর্ডার আগের বছরের তুলনায় ২০ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত ৪০টিরও বেশি দেশের জন্য একতরফা ভিসামুক্ত নীতি কার্যকর রয়েছে। এর আওতায় যোগ্য দেশগুলোর সাধারণ পাসপোর্টধারীরা পর্যটন, ব্যবসা, পারিবারিক সফর অথবা ট্রানজিটের উদ্দেশ্যে ভিসা ছাড়াই সর্বোচ্চ ৩০ দিন চীনে অবস্থান করতে পারবেন।
সূত্র: সিএমজি






















