জাতিসংঘে চীনের বৈধ আসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্তি উদযাপন - Mati News
Sunday, November 8

জাতিসংঘে চীনের বৈধ আসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্তি উদযাপন

জাতিসংঘে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বৈধ আসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ভিয়েনায় জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় চীনের স্থায়ী মিশন। এ আয়োজনে জাতিসংঘে চীনের অবদান তুলে ধরার পাশাপাশি সংস্থাটির প্রতি দেশটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে ভিয়েনায় জাতিসংঘ কার্যালয়ের মহাপরিচালক মনিকা জুমা, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফালেল গ্রোসি এবং জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থার (ইউএনআইডিও) মহাপরিচালক জার্ড মুলারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও কূটনীতিক এবং থিংক ট্যাংকের গবেষকসহ প্রায় ২০০ জন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ভিয়েনায় জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি লি সোং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘে চীনের বৈধ আসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর গত ৫৫ বছরে দেশটির শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন এবং মানবজাতির কল্যাণে অবদান প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ব। এসময়ে চীনা কমিউনিস্টের নেতৃত্বে চীনের জনগণ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘের ভূমিকা সমুন্নত রাখা এবং শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটির কার্যক্রমে ক্রমবর্ধমান অবদান রাখার ক্ষেত্রে চীন অবিচল প্রতিশ্রুতি বজায় রেখেছে।‘

অনুষ্ঠানে জুমা লিয়ের হাতে ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব ইউ থান্টের পক্ষ থেকে চীনকে পাঠানো একটি খসড়া টেলিগ্রামের অনুলিপি তুলে দেন। এতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার বিষয়টি চীনকে জানানো হয়েছিল।

জুমা বলেন, ‘জাতিসংঘে চীনের বৈধ আসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠস্বর উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে এবং জাতিসংঘের সর্বজনীন প্রতিনিধিত্ব আরও জোরদার হয়েছে।‘

জার্ড মুলার বলেন, ‘বৈশ্বিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে চীন ব্যাপক অবদান রেখেছে। এ বছর বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও গভীর করার প্রত্যাশা করছে ইউএনআইডিও।

বিভিন্ন দেশের কয়েক ডজন প্রতিনিধি ও থিংক ট্যাংকের গবেষকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তারা গত ৫৫ বছরের অসাধারণ যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এসময় তারা এক চীন নীতির প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা সমুন্নত রাখা এবং জাতিসংঘের উন্নয়ন ও কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চীনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সূত্র: সিএমজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *