প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন (বিসিএম) সড়ক যোগাযোগ চালু হলে চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় পণ্যবাহী ট্রাক চীনের ভূখণ্ডে পৌঁছাতে পারবে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শুক্রবার সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সড়ক যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “যদি যোগাযোগব্যবস্থা এই পর্যায়ে উন্নীত হয়, তাহলে দুই দেশের বা মিয়ানমারের সঙ্গেও এবং চীনের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়লে সম্পর্ক বিকশিত হয়। আর অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো তো আমাদের প্রত্যেক সময়ের লক্ষ্য।”
দেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের চেয়ে বেশি। এটি অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। কারণ, বাংলাদেশ যেসব পণ্য রপ্তানি করে, সেগুলোর অনেক কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে চূড়ান্ত পণ্য হিসেবে রপ্তানি করা হয়। বিশ্বের অনেক দেশেই এমন বাণিজ্য পরিস্থিতি রয়েছে।”
তৈরি পোশাকের বাইরে চামড়া, জাহাজ নির্মাণ, নন-লেদার পণ্য ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক করা গেলে রপ্তানি বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “এসব খাতের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে দেশের রপ্তানি আয় বাড়বে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে আরো ভারসাম্য আসবে।”
সূত্র: সিএমজি


















