মোংলা বন্দরকে আধুনিক প্রবেশদ্বারে রূপান্তরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সিআরসিসি: তাই হেকেন - Mati News
Thursday, November 5

মোংলা বন্দরকে আধুনিক প্রবেশদ্বারে রূপান্তরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সিআরসিসি: তাই হেকেন

আফরিন মিম

বাংলাদেশের মোংলা বন্দরকে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রবেশদ্বারে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি)। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ নির্মাণমান, গুণগত উৎকর্ষ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার ‘মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ অঙ্গীকারের কথা জানান সিআরসিসির চেয়ারম্যান তাই হেকেন।

তিনি বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে সিআরসিসি সম্মানিত বোধ করছে এবং এর গুরুত্ব ও দায়বদ্ধতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটির দক্ষ জনবল ও উন্নত সম্পদ কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে সিআরসিসি।‘

তাই হেকেন বলেন, ‘মোংলা বন্দরকে আধুনিক প্রবেশদ্বারে পরিণত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ মান, গুণগত উৎকর্ষ ও টেকসই উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।‘

বক্তব্যে চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের ঐকমত্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের জুনে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়। দুই দেশের বাস্তব-ভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারে ওই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।‘

তিনি আরও বলেন, ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্প দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের ঐকমত্যকে বাস্তব কর্মকাণ্ডে রূপ দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।‘

এসময় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান তাই হেকেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের দিকনির্দেশনা এবং চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন সহায়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সিআরসিসি বাংলাদেশের অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মানসম্মত প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। এর মাধ্যমে নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।‘

তথ্য ও ছবি: সিএমজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *