জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ঐতিহাসিক ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবের প্রতি অবিচল সমর্থন ও আনুগত্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তারা। রোববার জাতিসংঘে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বৈধ আসন পুনর্বহালের ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই অবস্থান তুলে ধরেন।
‘২০২৬ বৈশ্বিক শাসন ফোরাম’-এর ফাঁকে সিজিটিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের পলিসি বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল গাই রাইডার বলেন, জাতিসংঘ এই প্রস্তাবের নীতি মেনেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে তা বজায় রাখবে।
চীনে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী স্টিফেন জ্যাকসন চীন-জাতিসংঘ সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তের প্রতি জাতিসংঘ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ঘটনাটিকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করে স্টিফেন জ্যাকসন বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জাতিসংঘ তখনকার রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, চীনের আসন পুনর্বহালের মাধ্যমে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ টেবিলে গ্লোবাল সাউথ (উন্নয়নশীল বিশ্ব)-এর পক্ষে এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বরের উত্থান ঘটে। এটি শুধু চীনের জন্যই নয়, বরং খোদ জাতিসংঘের জন্য একটি অন্যতম নির্ধারণী মুহূর্ত ছিল।
১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৬তম অধিবেশনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এর মাধ্যমে জাতিসংঘে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সকল আইনগত অধিকার পুনর্বহাল করা হয়। আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রস্তাবটি ‘দুই চীন’ বা ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ সংক্রান্ত যেকোনো সম্ভাবনার চিরতরে অবসান ঘটায়।
সূত্র: সিএমজি




















