সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন এবং কিরগিজস্তান তাদের কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স বা শুল্ক প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছে, পাশাপশি বাণিজ্যের পরিসর বাড়িয়েছে। এর ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তাদের বহুমুখী অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ৮১ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ১২.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এর মাধ্যমে চীন, কিরগিজস্তানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান ভোক্তা বাজার হিসেবে গড়ে উঠছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ছংছিং পৌরসভায় অবস্থিত ‘কিরগিজস্তান-চীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা কেন্দ্র’ দুই দেশেরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগেুলোকে নীতি পরামর্শ ও ব্যবসায়িক আলোচনার মতো দীর্ঘমেয়াদী ও ওয়ান-স্টপ সেবা দিয়ে আসছে। এই উদ্যোগের ফলে প্রথাগত পণ্য পরিবহনের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন শক্তি, আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্স এবং আধুনিক কৃষির মতো নতুন নতুন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে কিরগিজস্তানের সঙ্গে ছংছিংয়ের আমদানি ও রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
কিরগিজস্তানের পাহাড়ি মধু ও দুগ্ধজাত পণ্যের অন্যতম প্রধান আমদানিকারক চীন। এছাড়া দেশটির সাথে রাজমা ও শুকনো ফলসহ বেশ কয়েকটি কৃষি চুক্তিও একের পর এক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীন ধারাবাহিকভাবে কিরগিজস্তান থেকে পণ্য আমদানির তালিকা প্রসারিত করে চলেছে। এছাড়া মোটর গাড়িসহ কিরগিজস্তানের গবাদি পশু সম্পদের জন্য চীনের বিশাল বাজারের দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।
সূত্র: সিএমজি
















