শাংহাই ঐকমত্য থেকে হাংচৌ রায়: বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা
শাংহাইয়ে যখন ২০২৬ সালের বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন শুরু হয়, তখন ‘বুদ্ধিমান সঙ্গী, যৌথভাবে ভবিষ্যৎ গঠন’ প্রতিপাদ্যের আড়ালে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই সবার ক্ষমতায়নের হাতিয়ার, নাকি এটি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত বৈষম্যকে আরও গভীর করবে? চাইলেই এখন বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো প্রশ্নটি এড়াতে পারে না।
সম্মেলনটির তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা (ডাব্লিউএআইসিও) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং এআই গ্লোবাল গভর্ন্যান্স অ্যাকশন প্ল্যানের উপস্থাপন। বৈশ্বিক উত্তরের দেশগুলোর মতো এটি কোনো নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়। এতে বিশেষভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান ‘বুদ্ধিমত্তার বৈষম্য’ বা ইন্টেলিজেন্স ডিভাইড কমানোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেন বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ
এআই শাসনব্যবস্থায় বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশ...













